রবিবার, ০৫ Jul ২০২৬, ০৯:৫৩ পূর্বাহ্ন
বিভিন্ন এলাকা ঘুরে জানা যায়, এ অঞ্চলের দক্ষিণে শিল্প কারখানার কারণে বিশাল কৃষি ফসলী জমি নষ্ট হয়ে গেলেও উত্তরে কৃষি ফসলী জমি থাকার ফলে শিম চাষে এবার কৃষকরা অনেক লাভবান হন। প্রায় ৩ হাজার হেক্টর জমিতে শিম চাষ হয়। বিশেষ করে ৬ নম্বর ইউনিয়ন থেকে ১ নম্বর ইউনিয়ন পর্যন্ত শিমের চাষ হলেও ৬ নম্বর বাঁশবাড়িয়া ইউনিয়নে শিমের চাষ একেবারে কম। কারণ, ৬ নম্বর ইউনিয়নের কৃষি জমিকে অকৃষি জমি দেখিয়ে ভূমিদস্যুদের মাধ্যমে নিরীহ কৃষকদেরকে বিভিন্ন লোভ দেখিয়ে কৃষি জমিগুলো খরিদ করে শিল্প কারখানা গড়ে তোলে। এতে কৃষি ফসলী জমি কমে গিয়ে চাষাবাদ বন্ধ হয়ে যায়।